শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬,

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

ইন্টারনেটে অপপ্রচার ও হয়রানি রোধসহ প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদল। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এই আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ ও সহিংসতামুক্ত রাজনীতি চর্চায় আইআরআইয়ের বিভিন্ন চলমান উদ্যোগ সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংগঠিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষার তাগিদ দিয়েছে প্রতিনিধিদল। আইআরআইয়ের আবাসিক কর্মসূচি পরিচালক জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, সংস্থাটির কারিগরি উপদেষ্টা রুকসানা হক এবং প্রশিক্ষণার্থী রাজনীতিবিদ চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স। তারা উল্লেখ করেন, দেশের উদীয়মান তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক কর্মীরা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা ও চরিত্রহননের শিকার হচ্ছেন। এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সবার জন্য একটি কার্যকর ও সর্বসম্মত আইনি রূপরেখা প্রণয়নের আহ্বান জানান তারা।

গঠনমূলক সমালোচনা ও রাজনৈতিক চরিত্রহনন কখনো এক বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে, তবে তা যুক্তিসঙ্গত আইনি বিধিনিষেধের অধীনে পরিচালিত হতে হবে। তিনি জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী চূড়ান্ত করতে বিগত দুই মাস ধরে সাংবাদিক, জ্যেষ্ঠ সম্পাদক, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। 

এই আইনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারীদের ও তরুণদের বুলিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা সমুন্নত রেখে আইনের যেকোনো ধরনের অপপ্রয়োগ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ ও যুগ্মসচিব রেবেকা খানসহ ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী আশ্বাস দেন, নিরাপদ ডিজিটাল পরিসর ও অহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ইতিবাচক যেকোনো আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে স্বাগত জানানো হবে।