সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১০:০৫ এএম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নতুন সরকার গঠনের পর সরকারপ্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটিই হতে যাচ্ছে তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য রেখে তিনি বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশলগত অগ্রাধিকারের রূপরেখা তুলে ধরবেন।
বিশ্বমঞ্চে দেশের নতুন নেতৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরার প্রস্তুতি চলছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২১ সেপ্টেম্বর সকালে সরকারপ্রধানের নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। অধিবেশনে মূল ভাষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অংশীদার ও বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং পার্শ্ববৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এসব আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থান, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সফরের প্রধানতম ভিত্তি হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদান করা। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ববৈঠকগুলোর চূড়ান্ত সময়সূচি সাধারণত শেষ মুহূর্তে নির্ধারিত হয়ে থাকে। সফরকালে যাঁদের সঙ্গেই দ্বিপক্ষীয় আলাপ হবে, তা গণমাধ্যমকে স্বচ্ছতার সাথে জানানো হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
সফরসূচিতে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে থাকবে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের কার্যকর উদ্যোগ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ পার্শ্ববৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতাদের সাথে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হবে। ছয় দিনের এই নিবিড় রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে বলে দিনাজপুর টিভি ডট কম নিশ্চিত করছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন