শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

আগাম ফুলকপি চাষে নাটোরে কৃষকের মুখে হাসি, লাভবান শরিয়তপুরের সবজি চাষীরাও

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৮:১২ পিএম

আগাম ফুলকপি চাষে নাটোরে কৃষকের মুখে হাসি, লাভবান শরিয়তপুরের সবজি চাষীরাও

কৃষি সংবাদ অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্থানে আগাম জাতের সবজি চাষ করে দারুণ সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা, যার মধ্যে অন্যতম হলো নাটোরের ফুলকপি চাষীরা যারা শীতকালীন আইসবোন হাইব্রিড জাতের ফুলকপি আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। বর্তমানে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায়|

প্রতি কেজি ফুলকপি ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে নাটোর সদর উপজেলার চাষীরা জানিয়েছেন এক বিঘা ফুলকপি চাষে তাদের খরচ হয়েছে প্রায় বিশ হাজার টাকা এবং বর্তমানে অন্যান্য কৃষকরাও ফুলকপি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন|

 এমনকি কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায় নাটোর সদর উপজেলায় শীতকালীন সবজি ফুলকপি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হেক্টর জমিতে, যেখানে প্রতি হেক্টরে গড় ফলন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ২১ মেট্রিক টন।

এদিকে, জেলার শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলাতেও এবার আগাম শীতকালীন ও শীতকালীন সবজির ভালো ফলন হয়েছে, যদিও মৌসুমে কয়েক দফা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকরা আংশিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন,|

তবে কৃষি বিভাগের কারিগরি সহায়তা এবং পরামর্শে তারা দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এবং বাজারে সবজির ভালো দাম পাওয়ায় তাদের সে ক্ষতি পুষিয়ে গেছে; জাজিরায় বেগুন পাইকারিভাবে প্রথম বিক্রি হয়েছিল ১০৫ টাকা কেজি দরে, যা বর্তমানে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, করোলা প্রথম বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে, বর্তমানে তা কমে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে, আর শসার প্রথম দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, যা কমতে কমতে ১৭ টাকায় ঠেকেছে, যেখানে জাজিরা উপজেলায় এ বছর আগাম শীতকালীন সবজি ৫১০ হেক্টর জমিতে এবং শীতকালীন সবজি ১৪৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

একইসঙ্গে, রবি মৌসুমে আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার ৩০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, যেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারিয়া হক এবং উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ।