আগস্ট ২২, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
পুষ্টিগুণে ভরপুর করলা আমাদের দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সবজি। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করলার ভালো ফলন পাওয়া যায়। সঠিক নিয়ম মেনে ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে চাষ করলে করলা থেকে মিলতে পারে চমৎকার লাভ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে এখন করলার চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। জমি তৈরি ও মাটি নির্বাচন করলা চাষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সব ধরনের মাটিতে করলা জন্মালেও জৈব পদার্থসমৃদ্ধ দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি এর চাষাবাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। প্রথমে জমি ভালোভাবে চার থেকে পাঁচবার চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হয়। এরপর নির্দিষ্ট দূরত্বে মাদা তৈরি করে তাতে প্রয়োজনীয় জৈব ও রাসায়নিক সার মিশিয়ে মাটি প্রস্তুত করতে হয়। বীজ বপনের আগে তা ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে অঙ্কুরোদগম দ্রুত ও ভালো হয়।
গাছ বৃদ্ধির সাথে সাথে মাচা বা বাউনির ব্যবস্থা করা করলার প্রধান পরিচর্যা। মাচায় চাষ করলে ফলের গুণগত মান ভালো থাকে এবং পচন ধরা থেকে রক্ষা পায়। এছাড়া নিয়মিত সেচ প্রদান এবং গাছের গোড়ার মাটির চটা ভেঙে দেওয়ার মতো কাজগুলো সঠিকভাবে করতে হবে।
ফুল আসার পর মাছি পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ফসল রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। বীজ বপনের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গাছ ফুল ও ফল দিতে শুরু করে। একবার ফলন শুরু হলে তা টানা দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সঠিক পরিচর্যা ও সচেতনতার মাধ্যমে চাষিরা করলা চাষ থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন