জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-১ ও যশোর-২ আসনের মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনেই বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে জামায়াত ও বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীসহ সাতজনের মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান। এছাড়া আরও চার প্রার্থীর সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
যশোর-১ (শার্শা): বাদ পড়লেন মফিকুল হাসান তৃপ্তিসহ ৩ জন
যশোর-১ আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন:
মফিকুল হাসান তৃপ্তি (বিএনপি নেতা)
আবুল হাসান জহির (শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী)
শাহজাহান আলী গোলদার (স্বতন্ত্র প্রার্থী)
এছাড়া তথ্যের ঘাটতি থাকায় এই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন এবং জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এই আসনে বৈধ ঘোষিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজীজুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের বক্তিয়ার রহমান।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): জামায়াত ও বিএনপির ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
এই আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। কারণগুলো হলো:
ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত): ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত ব্যাংক ঋণ জটিলতা।
মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলাম (বিএনপি): দলীয় মনোনয়নপত্র (চিঠি) জমা দিতে না পারা।
মেহেদী হাসান (স্বতন্ত্র): এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটি।
যশোর-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন সাবিরা সুলতানা (বিএনপি), ইদ্রিস আলী (ইসলামী আন্দোলন), ইমরান খান (বাসদ) এবং রিপন মাহমুদ (এবি পার্টি)।
মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে জামায়াত নেতা ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ জানিয়েছেন, ক্রেডিট কার্ডের বিষয়টি অনেক আগের এবং ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। তিনি আশাবাদী যে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পাবেন।যশোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, ৪ জানুয়ারির মধ্যে জেলার ৬টি আসনের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হবে। যারা বাদ পড়েছেন তারা নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, যশোর জেলার ৬টি আসনে মোট ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা এখনও বাকি।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন