শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,
হবিগঞ্জ-৪ আসন

গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যাংক সুদ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম

গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর আয়ের উৎস ব্যাংক সুদ

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ও আলোচিত ধর্মীয় বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী নির্বাচন কমিশনে তাঁর সম্পদের যে বিবরণী জমা দিয়েছেন, তাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হলফনামা অনুযায়ী, এই ইসলামি বক্তার আয়ের অন্যতম উৎস ‘ব্যাংক আমানতের সুদ’।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। পেশায় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেওয়া তাহেরীর নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণ থাকলেও তাঁর স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ, অলংকার বা নগদ অর্থ নেই।

আয় ও সম্পদের খতিয়ান

হলফনামার তথ্যমতে, গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর আয়ের প্রধান তিনটি খাত হলো—ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।

আয়ের খাত/সম্পদের বিবরণ

পরিমাণ/মূল্য (টাকা)

ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয়

৭,৯১,০০০ টাকা

কৃষি খাত থেকে আয়

২৬,৪০০ টাকা

ব্যাংক আমানতের সুদ

২২,৮৯২ টাকা

হাতে নগদ

৪১,২৮৬ টাকা

ব্যাংকে জমা

৭,৬৩,৬০৬ টাকা

স্বর্ণালংকার (৩১ ভরি)

৬,০০,০০০ টাকা (প্রদর্শিত মূল্য)

আসবাবপত্র

৫,০০,০০০ টাকা

কৃষিজমি (স্থাবর)

১,৬০,৩৯,০০০ টাকা

মোট সম্পদ

১,৭৯,৪৩,৮৯২ টাকা

হলফনামায় তাহেরী উল্লেখ করেছেন, তাঁর যা সম্পদ আছে সবই নিজের নামে। তাঁর স্ত্রী একজন গৃহিণী এবং স্ত্রীর নামে কোনো স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা কিংবা স্থাবর-অস্থাবর কোনো সম্পত্তি নেই।

অন্যান্য তথ্য:

গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। তবে হবিগঞ্জের মাধবপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় তিনি সেই সূত্রেই এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং সবগুলোই বর্তমানে চলমান।