শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

ঠাকুরগাঁওয়ে সাবেক এমপিসহ ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

রবিউল এহ্সান রিপন

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০২:২২ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ে সাবেক এমপিসহ ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী ফলাফলের বিশ্লেষণ। ছবি-দিনাজপুর টিভি

ঠাকুরগাঁওয়ে সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জনই জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীদের এই তালিকায় রয়েছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনের মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি সংসদীয় আসনে এবার ১৪ জন প্রার্থী এই ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম। ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন পাঁচজন। 

তারা হলেন—গণঅধিকার পরিষদের ফারুক হাসান, জাতীয় পার্টির নুরুন নাহার বেগম, এবি পার্টির নাহিদ রানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেজাউল ইসলাম এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাহাবউদ্দিন আহমেদ।সবচেয়ে বেশি প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈল) আসনে। এখানে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনই তাদের জামানত খুইয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। 

এছাড়া জামানত হারানো অন্য প্রার্থীরা হলেন—গণঅধিকার পরিষদের মামুনুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলনের আল আমিন, সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাত সমির শাহাজাহান আলম, মাইনোরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়, মুসলিম লীগের এস এম খলিলুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওয়ালিউল্লাহ জানান, আইন অনুযায়ী বৈধ ভোটের নির্দিষ্ট অংশ না পাওয়ায় জেলার ১৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলায় ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তারা ব্যতীত বাকি সবাই এই তালিকায় রয়েছেন।