মার্চ ৩, ২০২৬, ১০:০২ এএম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে গলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া সেই শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। মঙ্গলবার ভোররাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার চাচা মো. রমিজ।
গত রবিবার সকালে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের ভেতর থেকে রক্তাক্ত ও জখম অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেছিলেন সেখানে সড়ক সংস্কারের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা। উদ্ধারের পরপরই তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত রবিবার রাতেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন শিশুটির মা। এখন শিশুটি মারা যাওয়ায় মামলার ধারা পরিবর্তিত হয়ে হত্যা মামলায় রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিশুটির বাড়ি সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মছজিদদা (মাস্টারপাড়া) এলাকায়।
তার নিজের বাড়ি থেকে ইকোপার্কের ওই ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার। এত ছোট একটি শিশু কীভাবে বাড়ি থেকে অত দূরে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছাল, তা নিয়ে জনমনে বড় ধরনের রহস্যের দানা বেঁধেছে।পুলিশ এই ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে। কেউ তাকে অপহরণ করে নির্জন পাহাড়ে নিয়ে গিয়েছিল কি না, নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে, সেসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির পক্ষে একা এত দূর যাওয়া প্রায় অসম্ভব। ফলে এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র বা পরিচিত কারো হাত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন