মার্চ ৪, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনে অবস্থিত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ফজলু নামের এক কর্মচারী শিক্ষিকাকে হত্যার পর নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই নজিরবিহীন ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বিভাগের সভাপতির কক্ষ থেকে হঠাৎ ‘বাঁচাও বাঁচাও’ চিৎকার শুনে সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্য ও সাধারণ মানুষ ছুটে যান। কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে আসমা সাদিয়া রুনাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
একই সময়ে অভিযুক্ত ফজলু নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইমাম হোসাইন আসমা রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।ক্যাম্পাসে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য জানান, “আমরা কয়েকজন নিচে গল্প করছিলাম। হঠাৎ ওপর থেকে চিৎকার শুনে দ্রুত উপরে উঠি এবং দরজা ভেঙে ফেলি।
ভেতরে ঢুকে দেখি ম্যাডাম রক্তাক্ত হয়ে পড়ে আছেন এবং ওই লোকটা নিজের গলায় ছুরি চালাচ্ছে।” খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি দাপ্তরিক কোনো কারণ ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন