শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

ঈদে ট্রেনের ফিরতি অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করল রেলওয়ে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ১৩, ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম

ঈদে ট্রেনের ফিরতি অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করল রেলওয়ে

অনলাইনে টিকিট বিক্রি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি আজ থেকে শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকেই যাত্রীরা নির্দিষ্ট অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। রেলওয়ের নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ ১৩ মার্চ বিক্রি করা হচ্ছে আগামী ২৩ মার্চের ট্রেনের টিকিট। বরাবরের মতো স্টেশনে ভিড় কমানো এবং যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘব করতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রেলওয়ের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট আজ সকাল ৮টা থেকে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে। 

একজন যাত্রী তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একবারের জন্য সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে টিকিট বিক্রির পর তা রিফান্ড বা ফেরত দেওয়ার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। কালোবাজারি রোধে এবং প্রকৃত যাত্রীদের কাছে টিকিট পৌঁছে দিতে রেলওয়ে প্রশাসন এবার বিশেষ মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আগামী কয়েক দিনের ফিরতি টিকিট বিক্রির সময়সূচিও ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী ১৪ মার্চ পাওয়া যাবে ২৪ মার্চের টিকিট এবং ১৫ মার্চ বিক্রি হবে ২৫ মার্চের টিকিট। এভাবে আগামী ১৯ মার্চ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ২৯ মার্চের টিকিট বিক্রি কার্যক্রম চলবে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এবং উৎসবের দিন পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট পরে বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হবে। নিয়মিত আসনের বাইরে সাধারণ যাত্রীদের চাপের কথা মাথায় রেখে যাত্রার দিন নন-এসি কোচে ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইনে টিকিট বিক্রির ফলে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি পুরোপুরি দূর হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে সার্ভারে যাতে কোনো কারিগরি ত্রুটি না ঘটে, সেজন্য কারিগরি দল সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। ঈদুল ফিতর শেষে যারা নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরতে চান, তারা এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজেদের আসন নিশ্চিত করতে পারবেন। ফিরতি যাত্রা নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সময়সূচি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।