মার্চ ১৯, ২০২৬, ১১:৩১ এএম
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) দুই থানার ৬ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) কেএমপি কমিশনার জাহিদুল হাসানের এক আদেশে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তারা নগরীর লবনচরা ও দৌলতপুর থানায় কর্মরত ছিলেন।
প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে লবনচরা ফাঁড়ির এসআই মো. মিজানুর রহমান, এএসআই এমএম জাহাঙ্গীর হোসেন এবং পুলিশ কনস্টেবল উৎপল হাওলাদার রয়েছেন। একই থানার এএসআই খালিদ হাসানকেও পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। এছাড়া দৌলতপুর থানার এসআই মো. আব্দুল হালিম ও এএসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে একইভাবে বয়রা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান এই প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় জানান যে, প্রশাসনিক প্রয়োজনে তাদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে `বকশিশ` আদায় এবং অবৈধ লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল।
পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং অভিযোগের অধিকতর তদন্তের স্বার্থে কমিশনার এই তাৎক্ষণিক আদেশ প্রদান করেন।তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে কেএমপি সূত্রে জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এ ধরনের কঠোর পদক্ষেপকে স্থানীয় বাসিন্দারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন