অক্টোবর ২৪, ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় কোনো আইনি পদক্ষেপ বা মামলা দায়ের করা হলে তাতে নিজের নামই যেন প্রধান আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, এমন দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শনিবার দুপুরে রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়।
সরাইল থানায় ওসির সঙ্গে এই অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার জেরে পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার খবর সামনে আসার পর এই লিখিত প্রতিক্রিয়া এলো।
লিখিত বক্তব্যে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে গত ২৩ অক্টোবর জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বর্তমানে অপেক্ষা করছেন যে ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ধরনের বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে প্রশাসন যদি দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে পরবর্তীতে কঠোর রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে সরাইল থানা ভবনে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তর্কে জড়ান রুমিন ফারহানা।
সেখানে শারদীয় দুর্গাপূজার সময় মণ্ডপ পরিদর্শনে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা না দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
ওই সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ওসি তাঁর কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। তবে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘুষের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। একই সাথে তিনি দাবি করেন, ওই ব্যক্তিকে আগে থেকে শিখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং তাঁর অতীত ইতিহাস জানা রয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন