শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চসিক মেয়রের সৌজন্য সাক্ষাত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১১:১৭ পিএম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চসিক মেয়রের সৌজন্য সাক্ষাত

চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই দশকের জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।বুধবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত শেষে এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান চসিক মেয়র।

বিবৃতিতে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সাক্ষাতকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা সফলভাবে নিরসন করায় তাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান এবং এই প্রচেষ্টা দীর্ঘ মেয়াদে অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। প্রধান উপদেষ্টা আশ্বাস দিয়েছেন যে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে পূর্ণ সহায়তা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রধান উপদেষ্টাকে তার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ২০২৪ সালে নগরের মোট ৮৫টি স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৩টিতে। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে নগরের জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকার সংখ্যা কমেছে ৫২টি। মেয়র জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর সবগুলো সংস্থাকে নিয়ে বসেছেন এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জলাবদ্ধতা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ (চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) ৩৬টি খাল উদ্ধার, পরিষ্কার ও পুনঃখনন কাজ করছে। এর বাইরে সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডও একটি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।তবে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নগরীর বাকি ২১টি খাল খনন জরুরি বলে উল্লেখ করেন মেয়র। এই ২১টি খাল খননের জন্য প্রকল্প নেওয়া দরকার জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তাকে দ্রুত এই খালগুলো খননের জন্য ডিপিপি  প্রণয়ন করে জমা দিতে বলেছেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সর্বাত্মক সহযোগিতায় চট্টগ্রাম নগরকে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতামুক্ত, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে।