জিন্নাত হোসেন
মে ৬, ২০২৬, ১১:২২ পিএম
ছবি-দিনাজপুর টিভি
দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজে নতুন কয়েকটি কোর্স চালু, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও নবায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন কমিটি। বুধবার (৬ মে) দিনব্যাপী বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের নির্দেশনায় এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পরিদর্শন কমিটির সদস্যরা মূলত এমএসসি ইন নার্সিং ও বিএসসি ইন মিডওয়াইফারি কোর্স চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করেন। এছাড়া বিএসসি ইন নার্সিং, পোস্ট বিএসসি ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্সেস অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সের আসন বৃদ্ধি ও নবায়নের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন তারা।
একই সঙ্গে ডিপ্লোমা ইন কার্ডিয়াক নার্সিংয়ে পুনরায় ভর্তির অনুমতি প্রদানের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়।পরিদর্শন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ-সচিব রাহেলা রহমত উল্লাহ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিলুফার ইয়াসমিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ডা. আল মামুন আব্দুল্লাহ এবং নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের প্রতিনিধি বদরুল আলম।বুধবার সকালে পরিদর্শন কমিটি কলেজে পৌঁছালে তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. শারমিন সাত্তার। এ সময় জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ, যুগ্ম সম্পাদক মো. আবু তাহের আবু এবং ডা. মো. জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে কমিটির সদস্যরা কলেজের বিভিন্ন বিভাগ, ল্যাবরেটরি ও ক্লাসরুম ঘুরে দেখেন। পরে কলেজের সচিব মো. শাহজাহান আলীসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে তারা মতবিনিময় করেন। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অবকাঠামো এবং নতুন কোর্স পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করেন পরিদর্শন দলের সদস্যরা।
কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিদর্শন কমিটির এই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই নতুন কোর্স চালু ও আসন বৃদ্ধির পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। মতবিনিময় সভায় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন কমিটির সদস্যরা। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাস ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পরিদর্শন পরবর্তী দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান ছিল।