রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬,

দিনাজপুরে সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ

মো: মামুনুর রশিদ

মে ১৪, ২০২৬, ০৭:১০ পিএম

দিনাজপুরে সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংলাপ

ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সামাজিক সংগতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিএসও দের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় সিএসও এবং জেলা প্রশাসনের মধ্যে এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জেএসকেএস এর আয়োজনে, ইউএনডিপি’র অর্থায়নে এবং রূপান্তরের কারিগরি সহযোগিতায় এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল। তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শান্তি নির্মাণ, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সংগতি জোরদার করা একটি অগ্রাধিকারমূলক কাজ। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল গুজব, ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিমূলক কনটেন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ফলে সমাজে অবিশ্বাসের সৃষ্টি হচ্ছে। 

অনেক ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি বিভাজন, উত্তেজনা ও সংঘাতের দিকেও গড়াচ্ছে। এই কারণে সময়োপযোগী আগাম সতর্কতা, দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ জানে আলম, জেলা মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালক মোর্শেদ আলী খান এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খন্দকার মোঃ রওনাকুল ইসলাম। এছাড়া জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ মুনির হোসেন এবং দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী দুলাল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপের মুক্ত আলোচনা পর্বে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এসইউপিকে’র নির্বাহী পরিচালক মোজাফ্ফর হোসেন, মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব আলী, মনিতা মাড্ডি, ফিরোজ এবং রবি মার্ডি। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেএসকেএস এর মর্জিনা রুপা ও সাইফুল আলম এবং সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ইউএনডিপি ও রূপান্তর এর সমন্বয়কারী নূর-ই-আযম হায়দার রাজা।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন তাঁর সমাপনী বক্তব্যে জানান, সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সুশীল সমাজের নাগরিকদের মাঝে দেশপ্রেম সৃষ্টি করা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার প্রতিরোধ করা সম্ভব হলে সমাজের বিদ্যমান অস্থিরতা অনেকাংশই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।