শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

দেশের রিজার্ভ কত বিলিয়ন ডলার, জানাল বাংলাদশে ব্যাংক

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০২:৫০ পিএম

দেশের রিজার্ভ কত বিলিয়ন ডলার, জানাল বাংলাদশে ব্যাংক

রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাম্প্রতিক সময়ে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৭৭৯ দশমিক ০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারের সমান। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে রিজার্ভের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্দেশিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৬৪ দশমিক ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। 

এই পদ্ধতিতে মূলত একটি দেশের নিট বা প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় যা দেশের অর্থনীতির সক্ষমতার অন্যতম নির্দেশক হিসেবে কাজ করে। মোট মজুদ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় বাদ দিয়ে এই হিসাব করা হয়।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গিয়েছিল যে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে রিজার্ভের পরিমাণে এই উন্নতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন রেমিট্যান্স প্রবাহ ও অন্যান্য খাতে বৈদেশিক মুদ্রার আন্তঃপ্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় রিজার্ভের মজুদ বাড়ছে।

উল্লেখ্য যে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মোট রিজার্ভ থেকে বৈদেশিক দায় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে সেটিই প্রকৃত সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা আশা করছেন সামনের মাসগুলোতে এই প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাবে।