শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

স্বর্ণের দাম আবার বাড়ল : আজ থেকে নতুন দর কার্যকর

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১০:৩৫ এএম

স্বর্ণের দাম আবার বাড়ল : আজ থেকে নতুন দর কার্যকর

দেশের বাজারে আবারও মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ রোববার থেকে কার্যকর হওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

গতকাল সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস এই তথ্য নিশ্চিত করে যা ইতিমধ্যে সারা দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে কার্যকর করা হয়েছে।নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, বাজুস নির্ধারিত এই মূল্যের সাথে ক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে। তবে অলংকারের নকশা ও গুণগত মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শেষবারের মতো স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে আবারও ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হলো। চলতি ২০২৬ সালে এ নিয়ে মোট ৩১ বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১২ বার কমানো হয়েছে। অন্যদিকে গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করেছিল বাজুস। যার মধ্যে ৬৪ বারই দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি আজ থেকে রুপার দামও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা এখন ৬ হাজার ৭০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৮ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে ১১ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে এবং স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে এই মূল্য পরিবর্তন নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।