বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

নগদের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ১০, ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম

নগদের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ

ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণ

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বড় পদক্ষেপ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অর্থ বিতরণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকায় এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বিশেষ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরিবারের নারী প্রধানদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। 

এই প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ। উদ্বোধনী দিনে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ৬ হাজার ৪৫১টি পরিবার নগদের মাধ্যমে তাদের প্রাপ্য আর্থিক সহায়তা সরাসরি গ্রহণ করেছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের আর কোনো সুযোগ থাকবে না। 

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এর মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থ পরিবারগুলোই সরাসরি উপকৃত হবে এবং সরকারি অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। সরকারের এই অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ১ কোটি ৬২ লাখ ৪ হাজার ২৬৫ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পের শুরুতে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে মাঠ পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি একাধিক সরকারি ভাতা পান কিংবা সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগী হন, তবে তাদের এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কেবল নারী প্রধান পরিবারগুলোকেই এই আর্থিক সহায়তায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

নগদ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচিতে যুক্ত হতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। নগদের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, ক্ষমতা গ্রহণের এক মাসের মধ্যে জনগণের প্রতিশ্রুতি পালনের এই উদ্যোগে অংশীদার হতে পেরে তারা গর্বিত। এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি তালিকাভুক্ত দরিদ্র পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং নির্দিষ্ট কিছু ইউনিয়নে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে বলে জানা গেছে। ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্প একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।