বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

দেশের বাজারে আজ নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১০:০০ এএম

দেশের বাজারে আজ নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ

স্বর্ণের নতুন দর কার্যকর

দেশের বাজারে টানা কয়েক দফা কমার পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের বা পাকা স্বর্ণের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করেছে। বুধবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। স্বর্ণের নতুন এই দাম আজ বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা ব্যয় করতে হবে। এর আগে এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। 

কেবল ২২ ক্যারেট নয়, দাম বেড়েছে অন্য সব মানের স্বর্ণেরও। বর্তমানে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে জুয়েলারি সংগঠনটি জানিয়েছে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরেও স্বর্ণালঙ্কার কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের বাড়তি কিছু খরচ বহন করতে হবে। প্রতিটি গয়নার মোট দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করা বাধ্যতামূলক। অবশ্য অলঙ্কারের ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে তারতম্য হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল দেশের বাজারে সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। সেই হিসেবে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম আবারও ২ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি পেল। ৯ এপ্রিলের মূল্যতালিকায় ২১ ক্যারেট ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা।

উল্লেখ্য যে, চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৫৫ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় চাহিদার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ৩২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৩ বার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস। ঘন ঘন দামের এই ওঠানামায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা যেমন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন, তেমনি সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যেও এক ধরনের অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের অস্থিরতা বজায় থাকলে দেশের বাজারেও আরও সমন্বয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।