বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

চা বাগানের অজানা গল্প নিয়ে আসছে ‘চা গরম’

বিনোদন ডেস্ক

এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম

চা বাগানের অজানা গল্প নিয়ে আসছে ‘চা গরম’

বাংলাদেশের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নতুন অরিজিনাল ফিল্ম ‘চা গরম’। গতকাল ৫ এপ্রিল ছবিটির অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রচার শুরু হয়েছে। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত, যিনি এর আগে বিভিন্ন কাজ দিয়ে দর্শকের নজর কেড়েছেন। 

এবারের সিনেমায় তিনি চা বাগানের শ্রমিকদের প্রাত্যহিক জীবন এবং তাদের অধিকারের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত গল্পগুলো সেলুলয়েডের ফিতায় বন্দি করার চেষ্টা করেছেন।

পরিচালক শঙ্খ দাশগুপ্ত গণমাধ্যমকে জানান যে চা বাগান সাধারণত পর্যটনের ব্যাকড্রপ হিসেবেই পর্দায় বেশি উপস্থাপিত হয়। কিন্তু এই ছবির ক্ষেত্রে তারা গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে সরাসরি বাগানের ভেতরে শ্রমিকদের বাস্তব জীবনটা তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। 

নির্মাতা মনে করেন চা বাগান সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে অনেক ধারণা থাকলেও তাদের জীবনের অনেক অজানা তথ্য এখনো অগোচরে রয়ে গেছে। এই ফিল্মে দর্শকরা সেই অজানা বাস্তবতাগুলোই নতুন আঙ্গিকে দেখতে পাবেন। এটি মূলত তাদের শ্রম ও সংগ্রামের একটি প্রামাণ্য চিত্রায়ন হয়ে উঠবে।চলচ্চিত্রটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির এবং প্রতিভাবান অভিনেতা পার্থ শেখ। তাদের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন রেজওয়ান পারভেজ ও সারাহ জাবিন অদিতি। সাফা কবির এই কাজটির বিষয়ে বেশ আশাবাদী। 

তার মতে শঙ্খ দাশগুপ্তের ভিন্নধর্মী নির্মাণশৈলী এবং গল্পের গভীরতাই তাকে এই প্রজেক্টে যুক্ত হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। চা বাগানের কঠিন বাস্তবতাকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য অভিনয়শিল্পীদের বেশ চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে যা তাদের অভিনয়ের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।সিনেমাটি নিয়ে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদোয়ান রনি জানান যে এটি মূলত রবি নিবেদিত ও অক্সফামের সহপ্রযোজনায় নির্মিত একটি প্রজেক্ট। 

এটি কেবল একটি বিনোদনমূলক কাজ নয় বরং জীবনকে নতুন করে শুরু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে দর্শকদের। সাইফুল্লাহ রিয়াদের চিত্রনাট্যে এই ফিল্মটিতে আরও অভিনয় করেছেন এ কে আজাদ সেতু। আগামী ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের দিন থেকে দর্শকরা চরকির পর্দায় ‘চা গরম’ উপভোগ করতে পারবেন। ওটিটির বর্তমান জোয়ারে চা শ্রমিকদের জীবনের এই গল্পটি একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।