আগস্ট ১, ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ এবং ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা বলেছেন, মশাবাহিত এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই, কারণ এর কোনো সুনির্দিষ্ট কার্যকর ভ্যাকসিন বা ওষুধ নেই। তাই চারপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি।
সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির ভেতর, ছাদ কিংবা আঙিনায় জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে। ফুলের টব, ড্রাম, বালতি কিংবা এয়ার কন্ডিশনারের নিচে জমে থাকা পানিতে পাঁচ দিনের বেশি সময় যেন পানি না জমে থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড় ও জলাশয় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্ত প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক রূপ নেওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন জানান, হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্রের পাশাপাশি প্রতিটি বাড়ি ও কর্মস্থল থেকে মশা নিধনের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বাড়লে গায়ে পানি ঢেলে বা মুছে জ্বর কমাতে হবে এবং পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।জ্বরের তীব্রতা বুঝে প্যারাসিটামল সেবন করার পাশাপাশি ঘরে বসে না থেকে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন