ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১১:২৭ এএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তথা বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন জানান। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
আসিফ আলি জারদারি বলেন এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার যে বাংলাদেশের মানুষ এক শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের রায় দিয়েছেন। বিএনপির এই বিপুল বিজয় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন।
পাকিস্তান সবসময়ই বাংলাদেশের সঙ্গে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক অংশীদারত্ব বজায় রাখতে আগ্রহী। আমরা আশা করি নতুন সরকারের হাত ধরে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।পাকিস্তান কেবল অভিনন্দন জানিয়েই থেমে থাকেনি বরং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভবিষ্যৎ যৌথ অগ্রগতির প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি মনে করেন দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশের এই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইসলামাবাদ এখন ঢাকার সাথে নতুন করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার অপেক্ষায় রয়েছে।এদিকে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাতে দেরি করেনি প্রতিবেশী দেশ ভারতও। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মোদি তার বার্তায় উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপির এই বিজয় একটি প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবে। ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের পাশে থাকবে এবং দুই দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একসাথে কাজ করবে।মূলত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর থেকেই বিশ্বনেতাদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছার জোয়ার আসছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে বেশ গুরুত্বের সাথে প্রচার করছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি যেভাবে নির্বাচনে জয়লাভ করেছে তাকে একটি ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এই অভিনন্দন বার্তাগুলো নতুন সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ইতিবাচক শুরু। পাকিস্তান ও ভারতের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর এমন দ্রুত প্রতিক্রিয়া দুই দেশের সাথে বাংলাদেশের আগামী দিনের সম্পর্কের রূপরেখা স্পষ্ট করে দিচ্ছে। বিশ্বনেতারা আশা করছেন নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন