এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
ওমান সাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (২০ এপ্রিল) তেহরানের পক্ষ থেকে এই আক্রমণ চালানো হয়। এর আগে ইরানের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করেছিল মার্কিন বাহিনী। সেই ঘটনার পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবেই ইরান এই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, মার্কিন সেনারা ওমান সাগরে একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এর পরপরই ইরানি বাহিনী ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কিন সামরিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু বানায় এবং ড্রোন হামলা পরিচালনা করে। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, তাদের সমুদ্রসীমায় বা বাণিজ্যিক জাহাজে যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।
এই পাল্টা হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলে বিরাজমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখন বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।তবে এই ড্রোন হামলায় মার্কিন জাহাজের ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোনো প্রাণহানি ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানও তাদের ব্যবহৃত ড্রোনের সংখ্যা বা হামলার তীব্রতা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো বিবৃতি দেয়নি।
ঘটনার পর থেকে ওমান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। ওয়াশিংটন এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কী প্রতিক্রিয়া জানায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব সম্প্রদায়। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল আশঙ্কা করছে, এই উত্তেজনা প্রশমিত না হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থান বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন