বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দুই দেশেই পাল্টা হামলার তীব্রতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ১৬, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দুই দেশেই পাল্টা হামলার তীব্রতা

ছবি - সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও নতুন করে সংঘাতের দামামা বেজে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে, যেখানে উভয় দেশই একে অপরের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, তাদের ভালো আচরণ করা উচিত। অন্যদিকে ইরানও জর্ডান ও কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত ঘোলাটে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য হুমকি হতে পারে—এমন ইরানি সক্ষমতাকে লক্ষ্য করেই তারা এই হামলা চালিয়েছে। রাজধানী তেহরানে এয়ার ডিফেন্স সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা গেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যদি আলোচনার টেবিলে ফিরে না আসে, তবে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তিনি সরাসরি কোনো সময়সীমা বেঁধে না দিলেও ইরানকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জর্ডান ও কুয়েতে থাকা মার্কিন যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সামরিক স্থাপনায় তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তেহরানের দাবি, গত মাসে হওয়া শান্তি-সংক্রান্ত কাঠামোগত সমঝোতার শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্র না মানায় তারা এই পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের বিপরীতে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস পরিবহনের অন্যান্য রুট বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছে।

একদিকে সংঘাত চললেও কিছুটা আশার আলোও দেখা গেছে। ইরান সম্প্রতি এক মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, যা সম্পর্ক উন্নয়নের একটি প্রয়াস হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন। তবে দুই দেশের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের এই নতুন খেলায় হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।