বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ হামলা, নিহত ৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ২৯, ২০২৬, ১০:৪০ এএম

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ হামলা, নিহত ৮

Ai - ছবি ড্রোন হামলার

সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার তীব্র জবাবে ইরাকে একযোগে সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে পরিচালিত এই যৌথ বিমান হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ ভূরাজনীতিতে এই ঘটনা নতুন করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন ও রিয়াদের এই যৌথ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি কেড়েছে।সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় নিনেভেহ প্রদেশে সংঘটিত এই যৌথ হামলায় নিহত ব্যক্তিরা দেশটির পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) সদস্য। 

আঞ্চলিক কমান্ডের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় আরও চার সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নির্দেশে মার্কিন ও সৌদি স্থাপনায় হামলা চালানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এই নির্ভুল সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত ৭২ ঘণ্টারও কম সময়ে চালানো বহুসংখ্যক ড্রোন হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়।সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বীকৃত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। 

দেশটির পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ছোড়া ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। সৌদি আরব অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে তারা পিছপা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।এদিকে হামলার পর ইরাকের নিনেভেহ ও দক্ষিণাঞ্চলের বসরা প্রদেশে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে, যা স্থানীয়ভাবে চরম ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা