নভেম্বর ২৩, ২০২৫, ০১:৪৭ পিএম
আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একইসঙ্গে এই মামলায় পলাতক শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতকদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনাল-১ এর নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের দুই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি যথাক্রমে ৩ ডিসেম্বর এবং ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।৩ ডিসেম্বর: টিএফআই (Task Force for Interrogation) সেলে গুম-নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের মামলার শুনানি।৭ ডিসেম্বর: জেআইসি (Joint Interrogation Cell) বা আয়নাঘরে গুমের অভিযোগে দায়ের মামলার শুনানি।এর আগে রোববার সকাল ১০টার দিকে এই দুই মামলায় সেনাবাহিনীর ১৩ জন কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এর আগে গত ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা ১৩ কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছিল।সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়ে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ঘিরে নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন পুলিশ, বিজিবি ও র ্যাব সদস্যরা।
টিএফআই সেলের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র ্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেনসহ র ্যাব ও সেনা কর্মকর্তারা।
এছাড়া জেআইসি সেলের মামলায় শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচজন মহাপরিচালকসহ (ডিজি) অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আসামি রয়েছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন