ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫, ০৪:৪৪ পিএম
নয়াদিল্লি ও শিলিগুড়ির পর এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তজনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস নিহতের প্রতিবাদে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের মিছিল দূতাবাস অভিমুখে যাত্রা করলে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।ঘটনার বিবরণ: সকাল ১১টার দিকে বিক্ষোভকারীরা কলকাতার বঙ্গবন্ধু সরণিতে অবস্থিত ডেপুটি হাইকমিশন কার্যালয়ের দিকে এগোতে থাকলে পুলিশ তিনটি স্তরে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের বাধা দেয়।
উত্তেজিত আন্দোলনকারীরা প্রথম ব্যারিকেডটি ভেঙে ফেললে পুলিশ হার্ডলাইনে যায়। দ্বিতীয় ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টার সময় পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে।
বর্তমানে দূতাবাসের ১০০ মিটার দূরে আন্দোলনকারীদের আটকে রাখা হয়েছে এবং পুরো এলাকায় জলকামান ও বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।কূটনৈতিক উত্তেজনা: ভারতের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্থাপনায় একের পর এক হামলার ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর আগে সোমবার শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা কেন্দ্রে হামলার জেরে আজ কলকাতায় বাড়তি সতর্কতা ছিল। এদিকে, এই ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নয়াদিল্লি ও শিলিগুড়িতে বাংলাদেশের মিশনে যে ‘পরিকল্পিত সহিংসতা’ চালানো হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন। এ ধরনের ঘটনা কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার পাশাপাশি দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন