ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১০:৩২ এএম
জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে বাংলাদেশে সাইবার হামলার ঝুঁকি ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে ভোটের আগের এই সময়টি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এ সময়ে ভোটার তথ্যভাণ্ডার এবং নির্বাচন কমিশনের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্য হতে পারে।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঘটনাটি এই ঝুঁকিকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন যে কেবল ডি-ডস আক্রমণ নয় বরং ডিপফেক ভিডিও এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গুজব ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হতে পারে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিস্টেমগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং নির্বাচন কমিশনের আইটি শাখা জানিয়েছে যে ভোটার তালিকা ও ফলাফল প্রকাশের সার্ভারগুলো সুরক্ষিত রাখতে একাধিক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে সক্ষমতার ক্ষেত্রে এখনো কিছু ফাঁক রয়ে গেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর পেজ এবং শীর্ষ নেতাদের ডিজিটাল অ্যাকাউন্টগুলো সুরক্ষায় আরও সচেতনতা প্রয়োজন।
নির্বাচনের সময় তথ্যশূন্যতা তৈরি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও স্বচ্ছ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তিবিদরা। এ অবস্থায় প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালকদের বিশেষ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ডিজিটাল এই যুগে নির্বাচন এখন কেবল ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি স্ক্রিন এবং টাইমলাইনেও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন