বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু

জাতীয় ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১০:৪৩ এএম

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু

ঢাকায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু

বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু আজ ঢাকা পৌঁছেছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই তার এই রাষ্ট্রীয় সফর। 

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের এই আগমনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। দলটি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করেছে এবং শরিক দলসহ জোটের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২টিতে। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর বিএনপি আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। 

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে দেশি-বিদেশি প্রায় এক হাজার দুইশ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষ্যযোগ্য। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবালসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা এবং তুরস্ক, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত শনিবারই বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য পত্র পাঠানো হয়। বিদেশি মেহমানদের আগমনে সংসদ ভবন এবং আশপাশের এলাকায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক মহলে এই শপথ অনুষ্ঠানকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।