বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৫, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদ্যোগ

দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক ব্যতিক্রমী ও অনুকরণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তাঁর বিশেষ নির্দেশনায় সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ২০১ নম্বর কক্ষসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব কক্ষে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। এখন থেকে এসব কক্ষে মোট ক্ষমতার ৫০ শতাংশ লাইট এবং ৫০ শতাংশ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

একই সঙ্গে দিনের বেলায় কৃত্রিম আলো পরিহার করে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে কক্ষের জানালার পর্দা উন্মুক্ত রাখার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে বাইরে থেকে আসা পর্যাপ্ত আলোতে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে জানান যে বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও এই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পদক্ষেপের প্রতিফলন দেখা গেছে। ওই বৈঠকে নির্ধারিত সংখ্যার অর্ধেক লাইট এবং এসি ব্যবহার করা হয় যা প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনারই অংশ। 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে দেশের সরকারি আধা সরকারি ও বেসরকারি সকল অফিস আদালত এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এই নীতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে শপিংমল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।বৈঠক চলাকালে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে আরও কিছু বিশেষ পরামর্শ প্রদান করেন।

 

জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাশ্রয়ী ব্যবস্থা আরও আধুনিক করতে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে। বিশেষজ্ঞ এই দলটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আর কী কী কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করবে। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয় থেকে এই সাশ্রয়ী উদ্যোগ শুরু করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে চেয়েছেন। সরকারের এই পদক্ষেপ বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের সাশ্রয়ী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।