বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬,

যেখানে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ১৮, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

যেখানে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‍‍`যমুনা‍‍`-তে বিশিষ্টজন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর তিনি স্থায়ীভাবে এই ভবনেই সপরিবারে উঠবেন। তবে তার আগেই ঈদের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানটি সেখানে আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। 

৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গণভবনকে ‍‍`জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর‍‍` হিসেবে ঘোষণা করায় সেখানে আর প্রধানমন্ত্রীর থাকার সুযোগ নেই। ফলে রাজধানীর ৩০ হেয়ার রোডে অবস্থিত যমুনাকেই সরকার প্রধানের নতুন বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসভবন থেকে দীর্ঘ পথ ও যানজট পাড়ি দিয়ে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস করছেন। যমুনা থেকে এই দুটি দপ্তরের দূরত্ব তুলনামূলক অনেক কম হওয়ায় প্রশাসনিক কাজে গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

প্রায় ৮ একর আয়তনের এই বিশাল চত্বরে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর (PWD) দিনরাত কাজ করছে। এরই মধ্যে যমুনায় প্রধানমন্ত্রী দুটি ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন, যেখানে দেশি ও বিদেশি কয়েকশ অতিথি অংশগ্রহণ করেছিলেন।গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, যমুনায় কোনো বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কার করা হচ্ছে না। মূলত রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, হাইজেনিক ওয়াশ এবং রঙের কাজ চলছে। সিলিংয়ের কিছু পুরনো সমস্যাও মেরামত করা হচ্ছে। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী এই কাজগুলো সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রুটিন এই সংস্কার কাজগুলো সম্পন্ন হলেই ভবনটি পুরোপুরি বসবাসের উপযোগী হবে।যমুনা ভবনের ভেতরের অংশ ৫.২ একর এবং বাইরের অংশ ২.৮ একর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। ভবনের মোট আয়তন প্রায় ৩৫ হাজার স্কয়ার ফিট। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সংসদ ভবন বা আগারগাঁও এলাকায় বাসভবনের কথা ভাবা হলেও কৌশলগত ও সময়ের কারণে যমুনাকেই চূড়ান্ত করা হয়। ঈদের এই রাজকীয় অনুষ্ঠানটি যমুনার নতুন আঙিনায় এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।