এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সোমবার সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে অবস্থিত মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের উচ্চপদস্থ কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহলের বিশ্লেষকরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে দুই দেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের এই সৌজন্য সাক্ষাতে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় সরকারের কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের নতুন সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে অবহিত হন। সেই সঙ্গে দিল্লির পক্ষ থেকে ঢাকার প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা পৌঁছে দেন তিনি। বৈঠক শেষে হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের সৌজন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কি না, তা নিয়ে সরাসরি কোনো তথ্য না মিললেও দুই দেশের সম্পর্ক যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে যাচ্ছে, তার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সচিবালয়ের আজকের এই সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র বলছে, নিয়মিত কূটনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার সচিবালয় ত্যাগ করেন এবং পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং গণমাধ্যমকে সরবরাহ করা হয়।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে এগিয়ে নিতে এই ধরণের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও এই সভার মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক শীতলতা বা অস্পষ্টতা দূর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দিনাজপুর টিভির প্রতিবেদক জানিয়েছেন, সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের প্রতিনিধির সঙ্গে এটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য একটি আনুষ্ঠানিক সভা। আগামীতে দুই দেশের মধ্যে আরও বড় ধরণের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির প্রেক্ষাপট তৈরিতে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন