বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখের শুভ লগ্নে দেশের কৃষি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তিনি এই ডিজিটাল সেবার শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানস্থলে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার বেশ কয়েকজন কৃষকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশেষ কার্ডটি তুলে দেন।

 সরকারের এই উদ্যোগের ফলে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা আরও স্বচ্ছতার সাথে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। বেলা ১১টার দিকে তার গাড়িবহর টাঙ্গাইল শহরে পৌঁছায়। 

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তিনি এই কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা এখন থেকে বিভিন্ন সরকারি প্রণোদনা, সার-বীজের ভর্তুকি এবং অন্যান্য আর্থিক সহায়তা সরাসরি ভোগ করতে পারবেন। 

ডিজিটাল এই প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে সরকারি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং ভোগান্তি কমবে বলে সরকারি কর্মকর্তাদের ধারণা।বর্তমান প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে সরকারের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে দেশ এগিয়ে গেল। এর আগে সফলভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ক্রীড়া কার্ড’ চালু করা হয়েছিল, যা দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে। 

এছাড়া খাল খনন কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলোও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন এই কৃষক কার্ড দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।টাঙ্গাইলের এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সরকারের উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

পহেলা বৈশাখের এই বিশেষ দিনে কৃষকদের হাতে এমন উপহার তুলে দেওয়াকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ। অনুষ্ঠানের শেষে প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং দেশের সার্বিক কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা পরিলক্ষিত হয়।