এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
জাল ও ভুয়া সনদ ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া ৪৭১ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ হতে যাচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এই নির্দেশনা কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) দীর্ঘ তদন্তে এসব শিক্ষক ও কর্মচারীর শিক্ষাগত ও পেশাগত সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
এরপরই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মাউশিকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিআইএ যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে স্কুল ও কলেজের এই ৪৭১ জন জাল সনদধারীকে শনাক্ত করেছে। তাদের বিস্তারিত তালিকাও ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে। `বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫` অনুযায়ী এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্টদের এমপিও বাতিল করার পাশাপাশি তারা চাকরিকালে সরকারি কোষাগার থেকে যত টাকা বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন, তা ফেরত নেওয়া হবে। মাউশি শীঘ্রই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলবে।মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডিআইএর তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, এসব শিক্ষক বছরের পর বছর ধরে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে সরকারি অর্থ গ্রহণ করে আসছিলেন। এখন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রশাসনিক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এই পদক্ষেপের ফলে শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন