শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬,

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১১:৫৫ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দেশের নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি এবং শিক্ষা সংস্কৃতির মানোন্নয়ন নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে এই খবর নিশ্চিত করেছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন।

 জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রমকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়েও দীর্ঘক্ষণ কথা হয়। আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল দেশের প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরকার এখন থেকে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারের এই নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক—সব পর্যায়ের স্কুলগুলোতে বই পড়ার বিশেষ কর্মসূচি চালু করা হবে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও উন্নতমানের বই পড়ার সুযোগ পাবে। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং তিনি মনে করেন, সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের পাঠাভ্যাস কর্মসূচিতে নতুন এক বিপ্লব আসবে। শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তনের জন্য এমন একটি সমন্বিত উদ্যোগ দীর্ঘদিনের দাবি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে নিয়ে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। প্রথাগত দাপ্তরিক বৈঠকের বাইরে এটি ছিল মূলত একজন প্রবীণ শিক্ষাবিদের প্রতি রাষ্ট্রপ্রধানের শ্রদ্ধাবোধের বহিঃপ্রকাশ। এই বৈঠকের মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্রুতই এই পাঠাভ্যাস কর্মসূচি বাস্তবায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।