আগস্ট ৮, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে ২০১৫ সালে গুম করে র্যাব ও পুলিশের গোপন সেলে আটকে রেখে নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের পথে তদন্ত সংস্থা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় এই অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উচ্চপর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নামও এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমের সামনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।চিফ প্রসিকিউটর জানান যে তদন্তের কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে এবং খুব শীঘ্রই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
গুমের শিকার হওয়ার পর তাকে সীমান্ত পার করে ভারতে পাচার করার প্রক্রিয়াটির সঙ্গে কারা যুক্ত ছিল, সেই দিকটিও নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে তদন্ত দল। ইতোমধ্যে বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল এক মন্ত্রীর মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য রেকর্ড করা হবে বলে জানা গেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সূত্রে আরও জানা যায় যে পূর্বে গুমের শিকার হওয়া ছাত্রদল নেতা ও একজন আইনজীবীর জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিন আহমদকে টিএফআই সেলে আটকে রাখার বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সময়ের গোপন বন্দিশালার সার্বিক পরিস্থিতি এবং নির্যাতনের ধরন সম্পর্কে সাক্ষীদের দেওয়া বিবরণী তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও বেশি মজবুত করেছে।অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকলের ভূমিকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনার কাজ চলমান রয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন