শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

২৯ ঘণ্টায় যত টাকা পেলেন তাসনিম জারা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ১০:১৪ এএম

২৯ ঘণ্টায় যত টাকা পেলেন তাসনিম জারা

দেশের প্রচলিত ‘টাকার রাজনীতি’র বিপরীতে দাঁড়িয়ে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান জানানোর মাত্র ২৯ ঘণ্টার মধ্যে তার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, প্রায় ৪৭ লাখ টাকা অনুদান পাওয়ায় আপাতত আর কোনো অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে না।

ডা. জারা বলেন, “যেখানে অনেক প্রার্থী কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভোট কেনার চেষ্টা করেন, সেখানে সাধারণ মানুষের পকেটের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুদানে তহবিল পূরণ হওয়া পুরনো রাজনৈতিক ধারায় কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে।

 তিনি এই অর্জনকে নতুন ধারার রাজনীতির বিজয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।স্বেচ্ছাসেবক ও পোলিং এজেন্টের ডাক: টাকার বিনিময়ে ‘পেইড কর্মী’ নিয়োগ না দেওয়ার অঙ্গীকার করে ডা. তাসনিম জারা ভোটারদের কাছে দুটি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন:স্বেচ্ছাসেবক: সপ্তাহে মাত্র ৪-৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্বাচনি বার্তা পৌঁছে দেওয়া।পোলিং এজেন্ট: নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে থেকে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কঠোর পদক্ষেপ: তহবিলের প্রতিটি পয়সার হিসাব খতিয়ে দেখার নিশ্চয়তা দিয়ে তিনি জানান: ১. কোনো নগদ (ক্যাশ) অনুদান নেওয়া হয়নি; সব টাকা ব্যাংক ও বিকাশের মাধ্যমে এসেছে যা বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ২. অনুদানের উৎস ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ নথি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে। ৩. ব্যবহৃত অ্যাকাউন্টগুলো সম্পূর্ণ নতুন এবং এতে কোনো ব্যক্তিগত লেনদেন নেই। ৪. সংগৃহীত অর্থ কোন খাতে খরচ হচ্ছে তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা হবে।

ডা. তাসনিম জারার এই উদ্যোগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জনঅংশগ্রহণের এক নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের সম্মিলিত শক্তির সামনে কালো টাকার কোনো স্থান নেই।