ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ১২:০২ এএম
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশের মাটিতে পা রাখছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকার ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (সাবেক ৩০০ ফিট) এখন এক বিশাল উৎসবে রূপ নিয়েছে।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের ঢলে পুরো এলাকা এখন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে উৎসবের আমেজ: বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে কুড়িল থেকে শুরু করে এক্সপ্রেসওয়ের সংবর্ধনা মঞ্চ এলাকা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, স্লোগান আর প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে গেছে চারপাশ। নেতাকর্মীদের মুখে মুখে এখন একটাই স্লোগান— ‘লিডার আসছে’।
মাইক ও স্পিকারবাহী ট্রাকে বাজছে দলীয় ও দেশাত্মবোধক গান। দূর-দূরান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা কেউ দলবেঁধে মিছিল করছেন, কেউবা খোলা আকাশের নিচে বসেই রাত যাপন করছেন প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার অপেক্ষায়।মঞ্চ ও প্রস্তুতির বিস্তারিত: তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে নির্মাণ করা হয়েছে ৪৮ বাই ৩৬ ফুটের বিশাল একটি সংবর্ধনা মঞ্চ। গত রোববার থেকে দিন-রাত কাজ করে শ্রমিকরা এটি প্রস্তুত করেছেন। বিএনপি নেতাদের দাবি, আগামীকাল এই এলাকায় প্রায় ৫০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “২৫ ডিসেম্বর এই এলাকা মানুষের মহামিলন ও মহামেলায় পরিণত হবে।নিরাপত্তা ব্যবস্থা: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাত ৯টার দিকে মঞ্চ এলাকা পরিদর্শনে আসেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বাহারুল আলম। সড়কের মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি এবং সিসিটিভি ক্যামেরা।
নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া: শরীয়তপুর থেকে আসা কর্মী জিয়াউর রহমান টিপু আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর নেতা দেশে আসছেন, এটা আমাদের জন্য ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দের। এই ঐতিহাসিক ক্ষণের সাক্ষী হতেই এখানে এসেছি।উল্লেখ্য, আগামীকাল বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তারেক রহমান সরাসরি এই সংবর্ধনা মঞ্চে উপস্থিত হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন