ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৯:৩৪ পিএম
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন দলটির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও আলোচিত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় তাঁকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
তবে বহিষ্কারের চেয়েও রুমিন ফারহানাকে বেশি ব্যথিত করেছে এই আদেশের সময়কাল।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের খবর পাওয়ার পর গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা বলেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনে দল থেকে বহিষ্কারের আদেশ পাওয়া আমার রাজনৈতিক জীবনের এক অদ্ভুত ও বেদনাদায়ক অধ্যায়।
তিনি মনে করেন, যার আদর্শে তিনি রাজনীতি করেছেন, সেই নেত্রীর চলে যাওয়ার দিনেই নিজের এই বহিষ্কার কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।বহিষ্কার সত্ত্বেও নির্বাচনে লড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রুমিন বলেন, আমার এই বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়াটা এক ধরনের আপসহীনতা জোয়ারের বিরুদ্ধে একলা দাঁড়ানো। আপস না করে একা দাঁড়িয়ে যাওয়ার এই শিক্ষা আমি আমার নেত্রী খালেদা জিয়ার কাছ থেকেই পেয়েছি।তিনি আরও দাবি করেন, হাসপাতালে ভর্তির আগে গত ২০ নভেম্বর খালেদা জিয়া তাঁর মনোনয়নের বিষয়ে কথা বলেছিলেন।
রুমিন বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) বলেছিলেন, আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হলো না কেন? আমি শুধু এটুকুই বলব। আজ আমি আমার রাজনৈতিক অভিভাবককে হারিয়েছি।মঙ্গলবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়। মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি তাদের জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে রুমিন ফারহানা সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং সোমবার থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন