জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী হলফনামায় উল্লিখিত আয় ও সম্পদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে তার দল। হলফনামায় দেখানো নাহিদ ইসলামের ৩২ লাখ টাকার মোট সম্পত্তি এবং বাৎসরিক আয় নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
তাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে এনসিপি দলের যুগ্ম সদস্য সচিব তামীম আহমেদ এক বার্তায় স্পষ্ট করেছেন।
নাহিদ ইসলামের আয়ের প্রতিটি উৎস স্বচ্ছ এবং তা আয়কর রিটার্নে যথাযথভাবে উল্লেখ করা আছে। ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এনসিপির দেওয়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন সাত মাসে বেতন-ভাতা বাবদ মোট ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯ টাকা আয় করেন। মাসিক গড়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হিসেবে এই অর্থ তার অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করার পর তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে মাসিক এক লাখ টাকা সম্মানী বা বেতনে কাজ শুরু করেন। সেই হিসেবে গত অর্থবছরে উপদেষ্টা পদের আয় এবং পরামর্শক পেশার আয় মিলিয়ে তার মোট বাৎসরিক আয় দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ টাকা।
এই আয়ের বিপরীতে তিনি ২০২৪-২৫ আয়বর্ষে ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়করও পরিশোধ করেছেন, যা তার রিটার্নে সংরক্ষিত আছে।দলের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, নাহিদ ইসলামের পেশা নিয়ে যে শিক্ষকতার কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভুল ও একটি অপতথ্য। হলফনামার ৪ নম্বর কলামে তার বর্তমান পেশা হিসেবে ‘পরামর্শক’ এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে ‘বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা’ পদটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তামীম আহমেদ জানান, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগের সময় তার সোনালী ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্টে মাত্র ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা ছিল। বর্তমান হলফনামার তথ্য অনুযায়ী সেই অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা। বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাকাউন্ট এবং নির্বাচন পরিচালনার জন্য সিটি ব্যাংকে খোলা নতুন অ্যাকাউন্টটি ছাড়া নাহিদ ইসলামের আর কোনো ব্যাংক হিসাব নেই।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন