শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

যুবকদের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেব: ডা. শফিকুর রহমান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম

যুবকদের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেব: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন এদেশের যুবসমাজ আমাদের কাছে কোনো বেকার ভাতার দাবি করছে না বরং তারা কাজ চায়। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে যুবকদের হাতকে দেশ গড়ার মজবুত কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং প্রত্যেকের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেওয়া হবে। শনিবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

জামায়াত আমির অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন যে আল্লাহর ওপর আস্থা রেখে বলা যায় বাংলাদেশের মানুষ এখন একটা বড় ধরনের পরিবর্তন চায়। আগামী ১৩ তারিখ থেকে দেশের মানুষ সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের সূচনা দেখতে পাবে বলে তিনি মনে করেন।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তোলেন যে যুবকদের কাজের উপযোগী করে দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে না তুলে কেন তাদের বেকার ভাতার গল্প শোনানো হবে। তিনি বলেন আমাদের লক্ষ্য হলো এই যুবক ও যুবতীদের দক্ষ করে তোলা যাতে তারা গর্ব করে বলতে পারে আমিই বাংলাদেশ। 

জামায়াত আমিরের মতে এই দেশ গড়ার কারিগর হবে বর্তমান যুবসমাজ এবং তাদের হাতেই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে। তিনি বিশ্বাস করেন আগামী ১২ তারিখের পর ১৩ তারিখে যে নতুন সূর্য উদিত হবে তা আসবে মূলত যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। দেশ গড়ার এই লড়াইয়ে যুবকদের ভূমিকা হবে অগ্রগণ্য।রাজনীতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি আরও বলেন বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না।

ফ্যাসিবাদী শাসন এবং দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের হাত থেকে মুক্তি পেতে সাধারণ মানুষ এখন ঐক্যবদ্ধ। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে ভবিষ্যতে আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চায় না দেশবাসী। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। চৌদ্দগ্রামের এই জনসভায় স্থানীয় মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এবং সেখানে দলের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে পরিবর্তন এবং সংস্কারের ওপর জোর দেন। তিনি মনে করেন যুবকদের মেধা ও শ্রমকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে। কোনো দয়া বা ভাতার ওপর নির্ভর না করে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার যে মানসিকতা যুবসমাজের মধ্যে রয়েছে তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ১৩ তারিখের পরিবর্তন নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।