বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

অপপ্রচার ও চরিত্রহননের রাজনীতি বন্ধের দাবি ছাত্রদলের

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১১:১১ পিএম

অপপ্রচার ও চরিত্রহননের রাজনীতি বন্ধের দাবি ছাত্রদলের

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির দেশে চলমান মব কালচার, অপপ্রচার এবং চরিত্রহরণের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীর যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অভিযোগের ভিডিও বক্তব্য, চিকিৎসা নথি এবং স্থানীয় পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর তিনি এই দাবি তোলেন। নাছির উদ্দীন নাছিরের মতে, প্রাথমিক সকল তথ্য-প্রমাণে প্রতীয়মান হয় যে হাতিয়ার এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একটি পরিকল্পিত সাজানো নাটক।

শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সংগৃহীত তথ্য এবং ভিডিও পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের একটি মাধ্যম মাত্র। 

তবে বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তিনি চূড়ান্ত তদন্তের আগে দায়িত্বশীল পক্ষগুলোকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে ছাত্রদল চায় আইন তার নিজস্ব গতিতে চলুক এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে আসুক।

নাছির উদ্দীন নাছির হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করার জন্য এই নাটক সাজানো হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্টদের কঠিন দায়ভার বহন করতে হবে। মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে কলঙ্কিত করা কেবল রাজনৈতিক অপরাধ নয়, বরং এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা। তিনি দাবি করেন, যদি এই অপকৌশল প্রমাণিত হয় তবে সংশ্লিষ্ট শিবির, জামায়াতপন্থী গোষ্ঠী এবং এনসিপিকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে।

বিবৃতিতে এনসিপি নেতা হান্নান মাসুদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ছাত্রদল সেক্রেটারি। তিনি বলেন, জনমনে অশান্তি সৃষ্টি এবং বিএনপির সম্মানহানির চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের অপতৎপরতায় জড়িতদের আইনগত জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। নাছির উদ্দীন নাছির আরও যোগ করেন যে, রাজনীতি হওয়া উচিত নীতি ও জনকল্যাণের প্রতিযোগিতা, চরিত্রহনন বা মব উসকানির মাধ্যমে নয়। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে তিনি কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।