ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১২:২২ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন—এটি নিশ্চিত হওয়ার পর এখন সবার নজর তাঁর মন্ত্রিসভার দিকে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, এবারের মন্ত্রিসভা সাজানো হচ্ছে প্রবীণ ও নবীনের এক অনন্য সমন্বয়ে।
সেখানে ২০০১-২০০৬ মেয়াদের অভিজ্ঞ মন্ত্রীদের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া একঝাঁক মেধাবী তরুণকেও দেখা যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সোমবার রাতেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রিসভার আকার ও সদস্য তালিকা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হতে পারে।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা জানান, প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য তালিকায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং ড. আব্দুল মঈন খানের মতো জ্যেষ্ঠ নেতাদের নাম রয়েছে।
পাশাপাশি শামা ওবায়েদ, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মতো নতুন প্রজন্মের নেতাদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা যেতে পারে। এমনকি টেকনোক্র্যাট কোটায় রুহুল কবির রিজভী ও হাবিব উন নবী খান সোহেলের নামও আলোচনায় রয়েছে।নতুন সরকারের অন্যতম বড় চমক হতে পারে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের অন্তর্ভুক্তি।
জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর এবং আন্দালিব রহমান পার্থর মতো নেতাদের মন্ত্রিসভায় দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া ও ববি হাজ্জাজকেও বিশেষ কোনো দায়িত্বে রাখা হতে পারে। মূলত দেশের বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের লক্ষ্যেই একটি কর্মঠ ও জনমুখী মন্ত্রিসভা উপহার দিতে চাইছেন তারেক রহমান। যোগ্য ব্যক্তিদের সঠিক স্থানে বসিয়ে শুরুতেই সুশাসনের বার্তা দিতে চায় নবনির্বাচিত এই সরকার।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন