ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১০:৪০ এএম
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার নির্মোহ এবং বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই পৈশাচিক ঘটনাকে জাতীয় ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে খোদ দেশের সেনা কর্মকর্তারা এভাবে হত্যার শিকার হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল ও মর্মান্তিক। ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন মানুষের এই করুণ মৃত্যু দেশবাসীকে আজও ব্যথিত করে।
চরমোনাই পীর তার বিবৃতিতে দাবি করেন যে, গত ১৭ বছরে এই হত্যাকাণ্ডের কোনো নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য তদন্ত সম্পন্ন হয়নি। এর পেছনে দেশি-বিদেশি কারা জড়িত ছিল এবং কোন সুদূরপ্রসারী স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এই বর্বরতা চালানো হয়েছিল, তা এখনো জনগণের কাছে অস্পষ্ট।
তিনি মনে করেন, প্রকৃত রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় পিলখানা ট্র্যাজেডি নিয়ে জনমনে অসংখ্য অমীমাংসিত প্রশ্ন রয়ে গেছে। তাই সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনার পুনঃতদন্ত শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান তিনি।বিবৃতিতে মুফতি রেজাউল করীম আরও বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে রাখা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।
কেবল বিচারিক প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এর নেপথ্যের কুশীলবদের খুঁজে বের করে জনসমক্ষে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি পিলখানায় শাহাদাতবরণকারী সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই ঘটনার সত্য উদঘাটন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন