রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

যুদ্ধের মধ্যেই সৌদি গেলেন জামায়াত আমির

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ৪, ২০২৬, ১০:৪০ এএম

যুদ্ধের মধ্যেই সৌদি গেলেন জামায়াত আমির

সৌদি গেলেন ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি নিয়মিত ফ্লাইটে রওয়ানা হন। 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে যখন এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে, ঠিক সেই সময়ে বিরোধীদলীয় নেতার এই সফরটি রাজনৈতিক মহলে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এটি সম্পূর্ণ একটি ব্যক্তিগত এবং ধর্মীয় সফর।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আমিরে জামায়াত কেবল ওমরাহ পালনের জন্যই এই সংক্ষিপ্ত সফরে গিয়েছেন।

 সেখানে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আগামী ৬ মার্চ সকালে তার পুনরায় ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। তার এই সফরের বিষয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আমিরে জামায়াতের সফরের মূল উদ্দেশ্য এবং ফেরার সময়সূচি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা প্রদান করা হয়েছে।বিরোধীদলীয় নেতার এই আকস্মিক বিদেশ সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিমান চলাচলে ব্যাপক শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। 

ইতিপূর্বে বিমানবন্দরের বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া গেলেও ডা. শফিকুর রহমানের নির্ধারিত ফ্লাইটটি নির্দিষ্ট সময়েই ঢাকা ছেড়ে যেতে সক্ষম হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষণে এই সফর নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন থাকলেও দলের দায়িত্বশীলরা বলছেন, এটি পূর্বনির্ধারিত একটি আধ্যাত্মিক যাত্রা। ধর্মীয় অনুভূতির জায়গা থেকেই তিনি বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেও এই সফর সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সফরকালে তিনি মক্কা ও মদীনায় অবস্থান করে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ এবং বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করবেন বলে দলের নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তার এই বিদেশ সফরকে ঘিরে বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয় এবং দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতারা তাকে বিদায় জানান। আগামী শুক্রবার সকালে তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও ওই অঞ্চলের আকাশপথের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সময়সূচিতে কিছুটা রদবদল হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।