এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ এবং কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন। তিনি তার পূর্বসূরীদের আদর্শকে ধারণ করে দেশ পুনর্গঠনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, তারেক রহমানের এই কৃষি বিপ্লবের ভাবনা কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। মূলত দীর্ঘ ৮-৯ বছর ধরে তিনি দলের অভ্যন্তরে এবং জাতীয় পর্যায়ে তাঁর এই দূরদর্শী পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা ব্যক্ত করে আসছেন। বর্তমানে তাঁর এই পরিকল্পনাগুলো যে গতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা দেখে দেশের মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
রিজভী দৃঢ়তার সাথে বলেন, তারেক রহমানের প্রতিটি পদক্ষেপ প্রমাণ করছে যে তিনি তাঁর বাবা শহীদ জিয়ার দেখানো উন্নয়নের পথেই হাঁটছেন।দেশের কৃষি খাতের ইতিহাস স্মরণ করে রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশ কৃষিপণ্য রফতানিতে বিশ্বে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তিনি খাল খনন ও আধুনিক কৃষি সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে কৃষকদের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, বিগত আওয়ামী শাসনামলে কৃষি খাতের অবহেলার কারণে বাংলাদেশকে প্রচুর পরিমাণে চাল আমদানি করতে হয়েছিল।
তবে বর্তমান সরকারের অধীনে তারেক রহমানের এই আধুনিক ও ডিজিটাল কৃষি উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ আবারও দ্রুত সময়ের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রিজভী আরও বলেন, ‘কৃষক কার্ড’ কেবল একটি প্লাস্টিক কার্ড নয়, এটি কৃষকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার একটি দলিল। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে।
তিনি দেশের আপামর জনগণকে এই উন্নয়নমুখী সরকারের পাশে থাকার এবং দেশ পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই বক্তব্যে উপস্থিত জনতা ব্যাপক করতালি দিয়ে সংহতি প্রকাশ করে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন