জুন ১, ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী ও দেশের অন্যতম বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮২ বছর বয়সে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজড বা পক্ষাঘাতগ্রস্তসহ বার্ধক্যজনিত নানামুখী জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এই প্রবীণ ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।দেশের এই মহান কৃতি সন্তানের আকস্মিক প্রয়াণে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গভীর ও অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
হাসপাতাল ও পারিবারিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হওয়ায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে এই হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়েছিল।
সেখানে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি ক্রমাগত আশঙ্কাজনক হতে থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শে তাঁকে দীর্ঘদিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। মৃত্যুকালে তিনি তাঁর প্রিয় সহধর্মিণী আনোয়ারা বেগম এবং একমাত্র কন্যাসন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।তাঁর এই বেদনাদায়ক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র গভীর শোকের ঢল নেমেছে।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শ্রদ্ধেয় বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী এবং মায়ের নাম ফাতেমা বেগম, যাঁদের স্মৃতিধন্য ভোলাতেই তাঁর প্রাথমিক জীবনের রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে উঠেছিল। প্রবীণ এই জননেতার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন