অক্টোবর ৬, ২০২৫, ০৫:০৫ পিএম
সরকার পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুলেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি স্বীকার করেছেন যে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে এবং দল সেসব ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিয়েছে, তবে অনেক অভিযোগই এবং প্রতিপক্ষের অপপ্রচার বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজারের মতো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আমরা কিছু সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। কিন্তু এই ৭০০০ জনের সবাই কিন্তু চাঁদাবাজি বা দখলের অভিযোগের সঙ্গে জড়িত নয়। এর মধ্যে অন্য অনেক সাংগঠনিক বিষয়ও আছে।”
তারেক রহমান কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে অভিযোগগুলোর পেছনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে এক ভাইকার শাসকের দাপটে অন্য ভাইয়ের সম্পত্তি দখল করে রেখেছিল। ক্ষমতা পরিবর্তনের পর সেই প্রভাবশালীরা পালিয়ে গেলে নির্যাতিত ভাই, যিনি হয়তো বিএনপি করেন, তিনি তার ন্যায্য হক বুঝে নিতে গেছেন। তখন প্রচার করা হয়েছে বিএনপি দখল করতে গেছে।
আরেকটি উদাহরণে তিনি বলেন, “স্বৈরাচারের সময় আমাদের বহু নেতাকর্মী গায়েবি মামলায় ঘরছাড়া ছিল। এই সুযোগে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট ও ঘরবাড়ি দখল করে নেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতা পরিবর্তনের পর আমাদের নেতাকর্মীরা তাদের নিজেদের বৈধ সম্পত্তি ফিরে পেতে গেলে প্রচার করা হয়েছে যে তারা দখল করছে। এরকম ঘটনা প্রচুর ঘটেছে।”
তবে তিনি স্বীকার করেন যে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটেছে। তিনি বলেন, “আপনি যেই কথাটি বললেন সেরকমও কিছু ঘটেছে। সে কারণেই আমরা আমাদের অবস্থান থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।” তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “পুলিশিং করা তো আমাদের কাজ না। রাজনৈতিক দলের কাজ অবশ্যই পুলিশিং করা না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের কাজ করবে।”



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন