রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শিরক থেকে বেঁচে থাকার উপায় ও ইবাদতের সঠিক শিক্ষা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ২৬, ২০২৬, ১১:২৩ এএম

শিরক থেকে বেঁচে থাকার উপায় ও ইবাদতের সঠিক শিক্ষা

Ai - ছবি

ইসলামি শরিয়তের বিধানে সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করা, সমকক্ষ মনে করা কিংবা অংশীদার বানানোকে শিরক বলা হয়। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এটিকে সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ ও কবিরা গুনাহ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।পবিত্র কোরআনে এই পাপকে মহা মিথ্যা ও চরম জুলুম হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

সাধারণত মানুষ পাথর, অগ্নি, তরু-লতা কিংবা বিভিন্ন কবর পূজার মাধ্যমে এই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। এর বাইরে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, বিবাহ, রোগ-ব্যাধি ও জীবিকা নির্বাহের মতো দৈনন্দিন কাজকর্মের ক্ষেত্রেও না বুঝে নানা উপায়ে শিরকের বিস্তার ঘটে। আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী শিরককে মূলত চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে, যা হলো আল্লাহর মূল সত্তায় শরিক করা, তাঁর গুণাবলিতে শরিক করা, তাঁর একক অধিকারে শরিক করা এবং তাঁর সার্বভৌম এখতিয়ারে শরিক করা।

কোরআন মজিদের সুরা নিসার ১১৪ থেকে ১১৭ নম্বর আয়াতের বর্ণনায় একে একটি অমার্জনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে আল্লাহ ইচ্ছা করলে বান্দার অন্য যেকোনো গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করার পাপ কখনোই ক্ষমা করা হয় না। বিশ্বজগতের স্রষ্টাকে ছেড়ে অন্য কোনো সত্তা কিংবা প্রতীকের উপাসনা করা মানুষকে চরম বিভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতার দিকে ঠেলে দেয়।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশিত পথেই মানুষকে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। পৃথিবীর প্রথম মানব ও নবী হজরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু হওয়া নবুয়তের ধারাবাহিকতা শেষ নবীর আগমনের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে। শেষ নবীকে সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে পাঠানো হয়েছে এবং তাঁর পর আর কোনো নবী আসবেন না।ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শিরকমুক্ত ইবাদতের মাধ্যমে জীবন গড়ার পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদগণ।