শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১, ২০২৫, ০৮:৫০ পিএম

২০২৬ সালের রোজা ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

নতুন বছর ২০২৬ শুরু হতে আর দুই মাসও বাকি নেই। এরই মধ্যে মুসলিম বিশ্বের জন্য সবচেয়ে পবিত্র মাস রমজান এবং সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ গণনা করেছেন জ্যোতির্বিদরা।আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির সভাপতি ইব্রাহিম আল-জারওয়ান সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়াকে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে (১৪৪৭ হিজরি) মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। একই সঙ্গে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখও ঘোষণা করেছেন তিনি।

ইব্রাহিম আল-জারওয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান মাসের চাঁদ আকাশে উঠবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু ওইদিন সূর্যাস্তের মাত্র ১ মিনিট পরই চাঁদটিও অস্ত যাবে। ফলে এটি খালি চোখে দেখা একেবারেই অসম্ভব হবে। তাই ১৮ ফেব্রুয়ারি শাবান মাসের ৩০ তারিখ পূর্ণ হবে এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রমজানের প্রথম দিন শুরু হবে।

সেই হিসাবে, মধ্যপ্রাচ্যে ২০ মার্চ (শুক্রবার) শাওয়াল মাসের প্রথম দিন, অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। আল-জারওয়ান আরও জানান, আগামী বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রমজানের শুরুর দিকে রোজার সময়কাল হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা এবং রমজান যত শেষের দিকে যাবে, এই সময় তত বাড়তে থাকবে, যা পর্যায়ক্রমে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।

আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, জ্যোতির্বিদ্যাগত হিসাব যাই হোক না কেন, সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটি আগামী বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে। যদিও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে প্রায়শই অভিযোগ ওঠে যে, তারা চাঁদ দেখার চেয়ে তাদের নিজস্ব উম আল-কুরা ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে রমজান ও ঈদের ঘোষণা দিয়ে থাকে।

তবে, সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ শুরু হয়। সেই হিসাবে, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) পবিত্র রমজান মাসের প্রথমদিন এবং ২১ মার্চ (শনিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, এই তারিখগুলো সম্পূর্ণরূপে জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ওপর ভিত্তি করে করা। বাংলাদেশে রোজা ও ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চাঁদ দেখার ওপর।